বিধবার আস্ফালন।

আমি একাকী বিধবা নারী। ঠিকমতো হিসেবে কষলে পুরো আট বছর হতে চলেছে, আমি একা। এক এক করে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি সবাই পরলোক গমন করেছেন। এই পৃথিবীতে আমি আর আমার একাকীত্ব দুজনে খুব কষ্টে আছি।

আমার শরীরের ভাজগুলো ভালো করে স্বামীর শরীরের ঘর্মবিন্দুতে ভেজে নি, তিনি মারা গেলেন। সত্যি বলতে আমার দিনগুলো অনেক পুরুষ মানুষের সাথে ভাগাভাগি করে নিলেও আমার রাতগুলো রেখেছি সম্পূর্ণ নির্জন, আমার এই বক্তব্য শুনে যে কেউ অনায়াসে বুঝে নিতে পারবে যে আমার স্বামী কে কতটুকু ভালোবাসি আমি। প্রতিদিন রাতে বিছানায় শরীরের সমস্ত কাপড় খুলে ঘুমোতে যাই, কেননা রাতের বেলা স্বপ্নে আমার স্বামী আসেন আর আমি সেই সময় কাপড় খুলতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়ে যাক এটা মোটেও চাই না। কেননা স্বপ্ন টা তো খুবই অল্প সময়ের জন্য আসে।  

আমি কাজ বলতে তেমন কিছু করিনা,আসলে আমার টাকা পয়সার অভাব নেই। প্রতিদিন দু তিনটে লোককে খুশি করলে আমার দিন ওইসব ব্যস্ততায় চলে যায়। তবে রাত্রিবেলা না আমার বড্ড একা লাগে, সত্যই বলতে দিন আর রাত দুটোতে দুরকমের অনুভূতি লুকিয়ে থাকে। আমার বিয়ের সময়ের অনেক রঙিন জিনিস ঘরে রয়েছে রাতের বেলা ওগুলো দেখে সাজতে মন বলে, তবে সেজে তো কি হবে সেগুলো এলোমেলো করে দেবার মতো তো কেউ নেই। আসলে আমি তো বিধবা। এদিকে আবার স্বামীকে না খুব ভালোবাসি, ওনাকে ঠকাতে পারিনে আমি, সমাজ কি বলবে। তাই দিনের বেলা যখন পুরুষদের সাথে সঙ্গম করি তখন আমার স্বামীর ফটো ফ্রেমে একটা কাপড় দিয়ে ঢেকে রেখে দিই। আমি  চাই না আমাকে অন্য কারো সাথে দেখে রাতের বেলা স্বপ্নে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হোক। আমার কদিন থেকে শুধু মাথা ব্যথা করে তাই হাসপাতালে যাই। ডাক্তার বাবু মাথায় হাত দিয়ে চেপে ধরে দেখে বললেন। কিছু শক্তি শালী ঔষধের প্রয়োজন ,আপনার মাথাব্যথা কমে যাবে, তবে এই ঔষধগুলো আপাতত দেওয়া যাবে না। হাসপাতালে নেই। আমি না হয় রাতের বেলা ঘরে ফেরার পথে আপনার ঘরে এসে দিয়ে যাবো। 

এরপর থেকে আমি শুধু রাতের অন্ধকারের অপেক্ষা করছি, অপেক্ষা করতে করতে রাত অন্ততঃ হলো, ডাক্তার বাবু এলেন। আমি ঘরের ভেতর আসতে বলি, একটু জল আর বিস্কুট খেতে দিই। ডাক্তার বাবু ঔষধ দিয়ে চলে যেতে ছিলেন তখন আমি  পিছু ডেকে বললাম ডাক্তার বাবু একটু শুনুন না, আসলে কি করে খেতে হয় মানে ঔষধ গুলো একটু যদি বলে দিতেন তাহলে খুব ভালো হতো। ডাক্তার বাবু এসে নিজের হাতে আমাকে ঔষধ খাইয়ে দিলেন সেই সময় উনার হাতের স্পর্শ হলো আমার ঠোঁটে দুজন ই চুপ দুজনের দিকে তাকিয়ে আছি দুজনের যেন গলা শুকিয়ে এসেছে ডাক্তার বাবু আমার ঠোঁট চুমু খেতে শুরু করলেন। আমি জোর করে দূরে সরে যাই। তিনি এসে পেছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরে হাত দিয়ে শাড়ীর অচল খুলে নাভী স্পর্শ করতে থাকেন। আমি একমিনিট সময় চেয়ে একটু রান্নাঘর এ যাই, ডাক্তার বাবু এসে দেখেন মাটিতে একটা ফটো ফ্রেম আগুনে পুড়ে ছাই হচ্ছে। ডাক্তার বাবু কিছু বলার আগে ই আমি বলে দিই এ আমার স্বামী ফটো। আর অতিভক্তর প্রয়োজন নেই ,এই বলে ডাক্তার বাবু এর হাত ধরে বিছানায় নিয়ে এসে ঠোঁটে চুমু দিই আস্তে আস্তে দুজন দুজনকে ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাই। সঙ্গম শেষ ডাক্তার বাবু জিজ্ঞাসা করেন স্বামীর ফটো কেন জ্বালিয়ে দিলে, কি এমন হয়েছে আমাকে বলতে পারো তুমি। 

আমিও বলতে শুরু করি,

আমার বিয়ের পরে আমি ও অন্য দশটা মেয়ের মতো স্বপ্ন দেখেছি, রঙিন সাজে সাজবো রাতের বেলা আমার হাতের চুড়ি পায়ের নূপুর এর শব্দে সমস্ত রাত উত্তোলিত থাকবে। তবে আমার আশায় জুটল ছাই, আমার পুড়া কপাল, যেদিন বিয়ে  হয় সেদিন রাতে স্বামীর মুখ দেখার আগে স্বামীকে জমিদার বাবুর বড়ো ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। আর পরেরদিন সকালে ঘরে ফেরে। আমার স্বামী জমিদারবাবু এর ভুট্টা ক্ষেত সারারাত জেগে পাহাড়া দিতো।

বিয়ের তিন চার দিন পরে একদিন দুপুরবেলা অল্পসময়ের জন্য শারীরিক সম্পর্ক হয়, আমি প্রতিদিন অপেক্ষা করেছি হয়তো আজ, হয়তো আজ রাতে দুজনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হবে। আমার আশায় নিরাশা ধরে গেল আমি বিধবা হয়ে গেলুম। পায়ের নূপুর আর হাতের চুড়ি সব ছিনিয়ে নিল সমাজ। রঙিন শাড়ি কেড়ে পড়িয়ে দিল সাদা শাড়ি। দিনের বেলা কয়েকটা আশপাশের ক্ষুধার্ত কুকুর আসে আমি ওদের তৃষ্ণা মিটিয়ে দিই। ওদের কতদিন অনুরোধ করেছি রাতের বেলা এসো তবে ওরা সবাই বিবাহিত আর ওদের পত্নী ওদের রাতে হাতছাড়া করে না। এমনকি ৠতুচক্র হলেও ওই রক্তে মাখামাখি করে শারীরিক সম্পর্ক ওরা করে। আমি অনেক বললেও ওদের রাত্রিবেলা আর আসা হয়নি। আমার স্বামী বেচে থাকতে আমাকে কোনদিন কোন খুশি দেইনি। ওর জন্য জমিদারবাবু ছিলেন সবকিছু রাতের পর ঘরে বউ একা চোখের জল ফেলে একটু শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য আর্তনাদ করতো,আর স্বামী ভূট্টা পাহাড়া দিতো। এমন স্বামী মারা গেছে এতে আমার দুখ নেই।

আমার শ্বশুর মশাই ছিলেন খুব শক্ত শরীরের তবে শ্বাশুড়ি অনেকটা বুড়ো। আমার শ্বশুর মশাইকে অনেকবার আকারে ইঙ্গিতে বুঝাতে চেষ্টা করেছি রাতের বেলা অন্ততঃ কেউ চাই। একদিন জল খেতে শ্বশুর মশাই জল খেতে রাতের বেলা আসেন আমিও সেসময় যাই। আর জড়িয়ে ধরে নিই। শ্বশুড়মশাই আমার গালে ঠাসিয়ে একটা চড় বসিয়ে দেন, শাশুড়ি ওইসব শব্দ পেয়ে আসেন দেখতে কারো কিছু বিপদ হলো না তো, আমি মিথ্যা বলে দিই যে শ্বশুর মশাই আমাকে পেছন থেকে খুব শক্ত করে জড়িয়ে ধরে শাড়ীর উপর হাত বুলিয়ে আচলটা খুলতে চাইছিলেন। শাশুড়ি মা, খুব জগড়া করেন শশুড় মশাই এর সাথে এরপর শাশুড়ির হার্ট এট্যাক আসে তিনি ও মারা যান।

আর শ্বশুর মশাই ছাদের উপর থেকে পড়ে আত্মহত্যা করেন। ডাক্তার বাবু তুমি বলেই আমি সব সত্য বলছি, আসলে আমি ওইদিন কাপড় শুকতে গিয়ে ছাদের উপর শশুড় মশাইকে কাদতে দেখি, আমি ওনাকে বলি ঘর পুরো ফাকা ঘরে কেউ নেই আমরা দুজন ছাড়া, একটু পড়ে রাত হয়ে যাবে আমি আসবো আপনার কাছে না আপনি আপনার কাছে আসবেন। শ্বশুর মশাই রেগে আবার আমার গালে চড় মারতে এগিয়ে আসেন। তবে আমি উনাকে ঠেলে ছাদের উপর থেকে নীচে ফেলে দিই। এরপর নিজের রুমে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি সন্ধ্যা সময় আমার স্বামী এসে চিৎকার করে আমাকে ডেকে নিয়ে আসে উঠোনে শ্বশুড়মশাই কে মৃত দেখে আমি ই সবচেয়ে বেশী কান্না করি। প্রতিবেশীরা দেখে বলে কি লক্ষী মেয়ে দেখো এতো ভালোবাসে শ্বশুড়মশাই কে। ওদের কপাল ভালো এত লক্ষী বউ পেয়েছেন। ডাক্তার বাবু বলেলেন বাহ্ চমৎকার তুমাকে তো সিনেমা তে কাজ করা উচিত, তুমি শহরে গিয়ে অভিনয় করে দেখতে পারো, আচ্ছা তোমার স্বামীর কি হয়েছিল ? 

আমার স্বামী ওকে তো আমি মেরেছি, আসলে মারতে চাইনি, খুব ভালোবাসি উনাকে আমি, একটু ভালোবাসা চেয়েছিলাম, রাতের পর রাত অন্ধকার ঘরে একা একা আমার ঘুম আসে না। অনেকবার প্রতিবেশীর দরজায় উকি ঝুঁকি দিয়ে দেখেছি রাতের বেলা কত আনন্দ উপভোগ করে একেকটা নারী। এদিকে আমি বিছানায় এপাশ আর ওপাশ নিঃসঙ্গ চারদিক আমার দুচোখে জল আসে তবে ঘুম আসে না। একদিন বিকেলবেলা শারীরিক সম্পর্ক করার পরে আমি রুমের দরজা তালা দিয়ে রেখে দিই যাতে স্বামীকে অন্ততঃ একটি রাতে পেয়ে যাবো উনি অনেক্ষণ জয়গা খুলতে বলে এরপর ঘুমিয়ে পড়ে, আমি রাত ঠিক আটটায় দরজা খুলে দিই পড়নে রঙিন শাড়ি ইচ্ছে করে দুই হাত ভর্তি কাচের চুড়ি পড়ি, পায়ে নূপুর পড়ি। শরীরে সুগন্ধী একগ্লাস কাজুবাদাম ও কেশর মেশানো দুধ নিয়ে যাইস্বামীর কাছে, ঘুম ভাঙিয়ে বলি আজকে তো তুমি আমার, এই রাত তোমার আমার, অনেক অপেক্ষা করার পর এই রাত অন্তত এসেছে, আমার স্বামী জমিদারবাবু কাজে যাবে বলে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। কোন কথা শুনে না। কতবার বুঝিয়েছি একটা রাতে কি হবে এই রাতটা আমাকে দিয়ে দাও, উনি জেদ ধরেছে কাজে চলে যাবে, ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল আমি জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে চুমু খেতে থাকি, তবে উনি চলে যাবে ঠিক করেছে যাবেই, আমি অনেক আটকাতে চেষ্টা করি কিছুতেই থামছিলল না, আমি দরজার পাশে থাকা লাঠি দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে দিই। আমার চোখের সামনে মাটিতে পড়ে যান উনি, এরপর সমস্ত ঘর রক্তে ভেসে যায়,

চটফট  করছিলেন আর বলছিলেন ডাক্তার এর কাছে নিয়ে চলো। তবে আমার মাথায় ঘুরছিল আমি এইযে চুড়ি নূপুর পড়েছি এগুলোকে এমনি এমনি নষ্ট হতে  দেবো না। আমি জোর করে দুধ মুখে ঢেলে দিই।  এরপর স্বামীর শরীরের সমস্ত রক্তে মাখা কাপড় টেনে হিচড়ে খুলে দিই। জোর করে শারীরিক সম্পর্ক করতে চেষ্টা করি কতবার বলেছি আমার হাতের চুড়ি, পায়ের নূপুর এগুলো শব্দ করে না কেন, স্বামী নিরুত্তর। একটা সময় আমি ও  হার মেনে যাই কেননা অনুভব করি তিনি মারা গেছেন, আর দুজনের সমস্ত শরীর রক্তাক্ত। পরেরদিন সবকিছু পরিস্কার করে উনার শরীর লুকিয়ে ভুট্টা ক্ষেত এ ফেলে দিই। জমিদার বাবু উনার উপর পুলিশ প্রশাসন এর তদন্ত চলার ভয়ে আমার স্বামী কে সাপে কামড়েছে বলে মৃত্যু হয়েছে বলে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। ডাক্তার বাবু আমি না খুন করতে চাইনি, হয়ে গেছে,বিশ্বাস করুণ আমার স্বামী কে খুব ভালবাসি। এর ডাক্তার বাবু আমার ঠোঁটে চুমু খেতে থাকে, এরপর সমস্ত শরীরে হাত বুলিয়ে চুমু খেতে থাকে, একসময় দুজন আবার শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হয়ে পড়ি। পরেরদিন সকাল বেলা পুলিশের গাড়ি শব্দ আসে, আমি দরজা খুলতেই মহীলা পুলিশ আমাকে নিয়ে গাড়িতে ওঠে ডাক্তার বাবু আমার বলা কথা রেকড করে নিয়েছিলেন ওগুলোর ভিত্তিতে আমার শাস্তি ঘোষণা হয়।

প্রথমতো ম্যন্টল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কেননা প্রতিদিন রাতে ডাক্তার বাবু কে চাই বলে সমস্ত জেলখানা মাথায় তুলে নিতাম। আমি পাগল মনে করে ম্যন্টল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তবে দু-তিনটে খুনের অপরাধের জন্য আজীবন কারাবাস এর শাস্তি প্রদান করা হয়। 

 

( এটা ছিল আমার গল্প, আমার দোষটা কোথায় একটু পাঠকরা বলবেন আমি শুধু আমার স্বামীর ভালোবাসা চেয়েছিলাম! 

তবে আপনাদের বলছি নিজের পত্নীর চাহিদা পুরন করুন,শারীরিক সুখভোগ দিন,আমার স্বামীর মতো ভুল করবেন না। না হলে আমার মতো গল্পের পুনরাবৃত্তি ঘটবে আপনি বা আপনার পরিচিত বন্ধুর পরিবারের মাধ্যমে। শেষকথা এটুকু নিজের পত্নীকে মর্যাদা দিন,একটু যত্ন নিন। ভালোবাসা দিন,বিয়ের পর নতুন জীবনের শুরু কোন নারীর জীবনে অন্য পুরুষের আগমন হয় না। যদি হয় এর জন্য দায়ী পুরুষমানুষ এর অবহেলা। নিজের পত্নীকে খুব খুব ভালোবাসুন) 

 

 

 

গল্পটি পড়ে কেমন লাগলো কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ আমাকে।।।।।

(4) Comments
  • আপনি সত্যি কে তুলে ধরেছেন। মানুষ কিছু কিছু মহিলাদের কেই দুষী সাব্যস্ত করে কিন্তু এর পিছনে আসল রহস্য কি সেটা জানতে চায় না।

  • অপূর্ব গল্পঃ।।।খুব সুন্দর।। যৌণ গল্পঃ।।কিন্তু এটুকু কামনার ছোয়া নেই।।এরম গল্প আরো পড়তে চাই।????????????????????❤️

  • Nice

  • Nice

Write a comment