একঝুড়ি আকাঙ্ক্ষা।

বিপরীত পক্ষের  বিরুপ প্রতিক্রিয়া জেনেও ওকে ভালোবেসে যাওয়া এটা ক'জন পারে। একজন আছে হ্যাঁ ঠিক পড়েছেন, সেটা আমি। ভনিতা না করে চলে আসছি আমার গল্পে। গল্পটি শুরু হয় আমার স্কুলের প্রথম দিন থেকে নার্সারি তে ভর্তি হয়েছি

, স্কুলের প্রথম দিন চারদিকে খুব বৃষ্টি পড়ছিল, আমাদের শহরটি যেন স্নান করে নিয়েছে। গাড়ি থেকে বাবার কোলে ওঠেই আমি স্কুলে পৌছাই। ক্লাসে প্রবেশ করে লক্ষ্য করি আমার ক্লাসের একটি ছেলে খিলখিল করে হেসে যাচ্ছে,আমি ওকে দেখে নাক কুঁচকে ওর পাশেই বসি ওর হাসার কারণ জিজ্ঞেস করাতে বাবার কোলে ওঠে এসেছি বলে হাসছিল। এরপর দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব হয়। ছেলেটির নাম রিয়ান। আমি অবশ্য আর বাবার কোলে ওঠে স্কুলে প্রবেশ করিনি। আস্তে আস্তে দুজন বড়ো হতে থাকি আমাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গভীর হতে থাকে। আমি স্বভাবে খুব শান্ত, রিয়ান খুব চঞ্চল। দুজন যেন নদীর দুই বিপরীত প্রবাহ। 
রিয়ানের বাবা একজন কাঠমিস্ররি। আমার বাবা ব্যবসায়ী। দুজনের লাইফস্টাইল আলাদা। রিয়ানের বাবা খুব পরিশ্রমী দিন রাত কাজ করে ধার দেনা করে ছেলেকে বড়ো স্কুলে পড়াচ্ছেন। রিয়ান আর আমি শৈশব থেকেই ভালো বন্ধু। তবে আমার বাবা আমার রিয়ানের ঘরে যাওয়া, মেলামেশা পছন্দ করেন না। বাবা এটা জানে না আমার যে রিয়ানকে খুব ভালো লাগে। আমার ভালো লাগে রিয়ানের সঙ্গে থাকতে। আমি প্রতিদিন সবচেয়ে বেশি কথা রিয়ানের সঙ্গে বলি। একদিন দেখা না হওয়াটা আমার কাছে বছরের সমান। রিয়ান পড়াতে খুব ভালো ছিল, ক্লাসে দুজনের মধ্যে প্রতিযোগিতা ছিল, আমি জেনে শুনে অনেকবার ভূল উত্তর লিখেছি যাতে রিয়ানের রোল নম্বর এক ই হয়। মাধ্যমিক পাশ করে।

উচ্চমাধ্যমিক এর পর স্নাতক নিয়ে গ্রাজুয়েট হয়ে যাই। এত বছরে প্রত্যেকটা ১৪ ফেব্রুয়ারি তে নামবীহিন চিঠি ও আমি ওকে ভালোবাসি লিখে হার্ট দিয়েছে। রিয়ান ওসব দেখেইনি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে আমার মনে রিয়ানের প্রতি ভালোবাসা আরো বেড়েই চলেছিল। উচ্চশিক্ষিত হবার জন্য বাবা আমাকে অন্যত্র পাঠিয়ে দেন। বাবাকে রিকোয়েস্ট করি রিয়ানকে স্পন্সর করতে,তবে রিয়ান আমার বাবার টাকা নিতে রাজি হয়নি। সে স্কলারশিপ পরীক্ষা দেয় স্কুলে প্রথম হয়। এরপর আমি যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হয়েছি, রিয়ান ও ভর্তি হয়। আমাদের বন্ধুত্ব এখানেও অটুট। আমাদের ক্লাস শিক্ষক একদিন জানান আমাদের সেকশন কে পিকনিকে নিয়ে যাবেন। এক বিখ্যাত রহস্যের জঙ্গলে। পিকনিক যাবার দিন আসে

, রিয়ান আমার পাশে না বসে বাসে রিটা নামের একটি মেয়ের  পাশে বসেছে, হেসে হেসে ওর সাথে কথা বলছে, এসব দেখে আমার একটুও ভালো লাগছিল না। আমি বাসের জানালার বন্ধ করতে যাই আর আমার হাতে ব্যথা লেগেছে বলে খুব জোরে জোরে চিৎকার করি। আমার খবর নিতে রিয়ান ও দৌড়ে আসে। আমার হাতে ব্যথা লেগেছে জেনে বরফ বের করে আনতে বলা হয়। কেউ একজন জিজ্ঞেস করে রক্ত বেরিয়েছে কি। আমি কেদে কেদে রিয়ানকে গলায় জড়িয়ে ধরে আমার ডানহাত এর মিডিল ফিগার দেখিয়ে মুখের ভঙ্গিতে রিটা কে জানাই  ফাক্ ইউ! বাসের সবাই মুচকি হাসছিল। রিয়ান ছাড়া সবাই বুঝতে পারে আমি ওকে অনেক ভালবাসি। বাস গন্তব্য পৌছায়। খাওয়া নাচ গানা সব হয়। আমি দেখি রিয়ান মেঘা নামের আরেকটি মেয়ের সাথে ডান্স করছে। আমার হাতে গিটার ছিল সেটাকে খুব জোরে বাজাতে শুরু করে দিই। গিটারের তার এ আমার আঙ্গুল কেটে রক্ত ঝড়ে পড়ছে রিয়ান দেখেছে তবুও আটকায়নি মেঘাকে জড়িয়ে কপল ডান্স করছে।  আমি গিটার ফেলে চলে যাই মাটিতে। আমাদের শিক্ষক হাতে ব্যনডেজ করে দেন। এইরকম উশৃঙ্খল কাজ করতে মানা করেন। রাত্রি বেলা সবাই নিজের তাবুতে ঘুমোচ্ছে, আমি জুতো হাতে নিয়ে চুপি চুপি রিয়ানের তাবুতে যাই, মোবাইল এর আলো জ্বেলে দিই, রিয়ানের মুখের উপর আলো পড়েছে, আমি অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকি, মনে মনে ঘুমোনো অবস্থায় খুব শান্ত দেখায়, ওকে প্রশ্ন করি আমাকে কেন এত জ্বালাতন করো, তুমি বুঝো না আমি ভালোবাসি তোমায়। এমনসময় বাইরে কি শব্দ হয়, আমার হাতের ফোন রিয়ানের উপরে পড়ে যায়। ঘুম ভেঙে যায়, রিয়ান আমাকে জড়িয়ে ধরে,আমি মোবাইলটা তুলে ধরি, আলোতে দুজনের মুখ দেখা যাচ্ছিলো। রিয়ান কথা কিছু বলতে যাচ্ছিলো আমি সেসময় ই ওর ঠোঁটে সজোরে চুমু খাই। প্রায় আধঘন্টা চুমু খাবার পর। আমি ওকে আমার চলে যাওয়া উচিত একথাটা বলে তাবুর বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছি তখন রিয়ান আমার হাত ধরে বলে চলো এডভ্যঞ্চার করি, ঘুরতে যাই। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করি এখন, ঠিক আছে চলো। রিয়ান চলে আসে। রাতটি ছিল পূর্ণিমার। এরপর দুজন একে ওপরের হাত ধরে জঙ্গলে একসাথে হেটে অনেক দূর এগিয়ে আসি। এতক্ষণ দুজনে চুপ ছিলাম। এবার আমি মুখ খুলি, এবার বলে দিই। রিয়ান আমি তোমাকে ভালবাসি। রিয়ান বলে সে এটা জানে, আমি রিয়ানকে জিজ্ঞাসা করি আমাকে নিয়ে কি অনুভব করে। রিয়ান আমাকে একটা গাছের মাটিতে পড়ে থাকা ডালের উপরে বসিয়ে ওর দুই হাটুর উপর নির্ভর করে বসে আমার হাত দুটো শক্ত করে জড়িয়ে ধরে আমাকে বলে। রিয়ান আমি শৈশব থেকে বন্ধু। আমাদের সম্পর্কের বন্ধুত্বের অধিক নতুন কোন নাম দিতে চায় না। আমাকে ভালো বন্ধু ছাড়া কিছু মনে করে না। বন্ধুত্বের অধিক যদি কিছু থেকেও থাকে তাহলে সেটা নাকি আমার পাগলামি। আমি তো বুঝতে পারছি এটা রিজেকশন। আমি রিয়ানকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরি। কেদে কেদে ওর সমস্ত মুখে অজস্র চুমু খাই। ওর শরীরের টিশার্ট জোর করে খোলার চেষ্টা করি। রিয়ান গালে একটা চড় মেরে আমাকে   সামলাতে বলে। আমি আবার ও জোর করে রিয়ানের ঠোটে চুমু খেতে থাকি ওর সমস্ত শরীরে হাত বুলোতে থাকি। রিয়ান আমার প্রতি দুর্বল হলেও নিজেকে সামলে নেয়। এরপর আমাকে টেনে হাতে ধরে নিয়ে যায় তাবুতে। সারারাত বসে থাকে কোন কথা বলে না। আমি কিছু বলতে গেলে চুপ বলে চুপ করিয়ে দেয়। আমার মনে নেই কখন যে রিয়ানের কোলেই ঘুমিয়ে পড়েছি। রিয়ান ওর শার্ট দিয়ে আমার শরীর ঢেকে দিয়েছে। ভোরবেলা পাখির কিচিরমিচির ডাকে আমার ঘুম ভেঙে যায়। আমি রিয়ানকে খুজতে বেড়িয়ে দেখি নদীর পাড়ে রিয়ান আর মেঘা বসে গল্প করছে। আমি দৌড়ে গিয়ে মেঘার গালে সজোরে চড় বসিয়ে দিই। রিয়ান আমাকে চড় মারবে বলে হাত তুলে আমাকে চড় মারেনি, মেঘাকে সাথে নিয়ে চলে যায়। আমি নদীর জলে পাথর ছুড়ে দিই। জল থেকে আমাদের সঙ্গের তিন চারটা নিউড ছেলে বেড়িয়ে আসে। একজন বলে উফ পাথরটা আমার শরীরে লেগেছে। আমি রেগে গিয়ে ওদের উপরে আরো ছয়-সাতটা পাথর ছুড়ে,ওদেরকে গালাগালি দিই।  ফাক্ ইউ বিচেস ! বলে চলে যাই। ওরা উফ উফ লেগেছে বলে আমাকে ডোন্ট কাম ব্যাক বলে। আমি বাবাকে ফোন করে চেঁচিয়ে বলি বাবা আমি ঠিক করেছি বিয়ে করব।( বাবা প্রথমে মনে করে রিয়ানকে বিয়ে করছি ) সঙ্গের যারা শুনছিল সবাই খুশি তে অভিনন্দন দিচ্ছিলো ওরা তো ভেবেছিলো আমি রিয়ানকে বিয়ে করছি। তবে সবার ভূল ধারণাটা আমি ভেঙে দিই। ফোনে বাবাকে বলি, তুমি ছেলে দেখো, আমি তোমার পছন্দের ছেলেকেই বিয়ে করব। একসপ্তাহ সময় দিচ্ছি আমাকে বিয়ে করিয়ে দাও। আমার বাবার খুশির ঠিকানা নেই। তবে পিকনিক ক্যাম্প এর সবাই চুপ হয়ে গেছিলো। আমি খাবার খেতে চলে যাই। পরেরদিন সবাই চলে আসি পিকনিক থেকে। আমি নিজের বাড়িতে চলে আসি আমার পুরো ঘরে আত্মীয়ের ভীড়। সবাই কেনাকাটা করছে। বাবার বিদেশের ব্যবসায়ীক বন্ধুর ভাইয়ের ছেলের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে। বাড়িতে আনন্দ উল্লাস,তবে আমি খুশি অনুভব করতে পারছি না। চারিদিকে আলোর ঝলসানি তবে আমার যেন অন্ধকার লাগছে। এতবছরে এই প্রথম রিয়ানের সাথে একসপ্তাহ থেকে যোগাযোগ নেই। আজ বিকেলে আমার বিয়ে,আমাকে সাজানো হয়েছে সবার চোখে দেখতে আমাকে সুন্দর দেখাচ্ছে তবে আমি আয়নায় দেখেছি আমার পছন্দ হয়নি এই সাজসজ্জা। আমার মনে হয়েছে অনেকবার রিয়ান এসেছে আমার গালে স্পর্শ করেছে। আমার গালে কাজলের টীকা লাগিয়ে বলছে কেউ আর নজর লাগাবে না। অনেকবার যেন দেখছি রিয়ান এসে বলেছে তোমার ঠোঁটের লিপস্টিক নষ্ট করে দিই,এরপরে দুইগালে হাত রেখে সজোরে চুমু খায়। অনেকবার দেখেছি আমার আঙ্গুলে রিং পড়িয়ে দিচ্ছ। আস্তে আস্তে আমার মনে হয় এসবকিছু আমার কল্পনা। আমি বাথরুমে যাই এরপর চোখ বন্ধ করে দিই। মনে একটাই ভাবনা আসে যে পালিয়ে যাই। তখন আমিও ঠিক করি রিয়ানকে বুঝিয়ে বলবো আমি ওকে অনেক অনেক ভালবাসি ওকে ছাড়া আমি বাঁচবো না। আমার রিয়ানকে চাই, যদি রিয়ান আমাকে গ্রহন না করে তবে আমি সুসাইড করে নেব। আমি পালিয়ে যাই জানালা দিয়ে। এরপর রিয়ানের ঘরে যাই,রিয়ানের প্রতিবেশীর থেকে  খবর পাই রিয়ানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমি ছুটে যাই হাসপাতালে পৌছে দেখি রিয়ানের মা কান্না করছে। আমাকে জড়িয়ে ধরে কেদে বলেন রিয়ান। আমি দেখি রিয়ানের শ্বাস আসছে যাচ্ছে।  আমার সেই সময় বমি আসে আমি দৌড়ে বাথরুমে যাই, রিয়ানের মা পেছনে এসেছেন। তিনি আমার হাতের শিরার উপর হাত রেখে কি একটা পরীক্ষা করে বলেন তুমি প্রেগনেন্ট। আমি দৌড়ে চলে যাই রিয়ানের কাছে ওর হাত জড়িয়ে ধরে বলি আমি তোমার কাছে চলে এসেছি। রিয়ানের হাত আমার পেটের উপর স্পর্শ করে বলি রিয়ান আমরা পেরেন্টস হতে চলেছি।

রিয়ানের আস্তে আস্তে একটু জ্ঞান ফিরে। আমি ওর সামনে গিয়ে হাত ধরে বলি তুমি বাবা হতে চলেছো। রিয়ান আমাকে ইশারায় বলে দুজনের খেয়াল রেখো। ও ছরি বলে গাড়ির নীচে এসে আত্মহত্যা করতে চেয়েছে তাই, সে ইশারায় আমাকে কাছে ডাকে অক্সিজেন মাক্স সরিয়ে আমার গালে চুমু খেয়ে  এরপর সবকিছু থেমে যায়।রিয়ানকে নিয়ে ডাক্তার চেষ্টা করছেন। আমার বাবা বাইরে থেকে সবকিছু দেখছিলো। আমি বাবাকে বলি বাবা আমি বিয়ে করবো, এবার বাবাও কান্না করছেন। আমি বাবাকে বলি তোমার মেয়ের বিয়েতে কেন কান্না করছো। একটা সিঁদুরের কৌটো নিয়ে এসো। বাবা কিছুক্ষণ পরে আসে আমাকে সিঁদুরের কৌটো দেয়। রিয়ানের হাতে সিদূর স্পর্শ করিয়ে সিথিতে সেই সিদূর পরে নিই। এরপর চেচিয়ে সবাইকে বলি আমার বাচ্চা বাবার স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হবে না।।। সঠিক সময়ে একটি মেয়েকে জন্ম দিই।

আমার বাবা মেয়ের দুর্দশা সহ্য করতে না পেরে পরলোক গমন করেছেন । রিয়ানের মা বাবাও একটা সময় আমাকে একা রেখে স্বর্গে চলে যান। দীর্ঘ পচিশ বছর কেটে যায়। 
আজ মেয়ের বিয়ে। ওর মধ্যে নিজেকে দেখতে পাই। বিয়ের সাজে দারুণ সুন্দর দেখাচ্ছে ওর গালে চোখ থেকে কালো কাজল নিয়ে ফোটা লাগিয়ে দিই যাতে মেয়েকে কেউ না নজর লাগাতে পারে। আস্তে আস্তে বিয়ে সম্পূর্ণ হয়,মেয়ের বিদায় এর পর সবাই যে যার মতো করে চলে যায়। আস্তে আস্তে সমস্ত ঘরের বাতি নিভিয়ে আসে কাজের লোক গুলো বিদায় নেয়। বাইরে কনকনে ঠান্ডা ছিল। আমি চাদর গায়ে দিয়ে কাঠের দুলন্ত চেয়ারে বসে পড়ি এর পর চোখ বন্ধ করে দিই। সামনে ভেসে আসে বিশ্ববিদ্যালয় এর পিকনিক যাবার কিছুদিন আগের সময় আমরা অনেক বন্ধু মিলে পার্টি করছি।

রিয়ানকে নেশায় ভালোবাসি একথা সবার সামনে বলি। রিয়ান জানায় ও গরীব আমি ধনী আমাদের মেল খায় না। ও মাটিতে থেকে চাদ পাবার স্বপ্ন দেখে না। আমি রিয়ানকে বলি আকাশের চাঁদ না পেলেও এই যে আমি এই চাদটাকে তুমি সত্যি পেতে পারো। রিয়ান বলে কিভাবে। আমি ওর শার্ট এর কলারে টেনে পাশের একটা রুমে নিয়ে যাই দুজন দুজনকে চুমু খাই শরীরের সমস্ত কাপড় খুলে দূরে ফেলে দিই। আস্তে আস্তে সঙ্গমের অন্তিম মুহুর্তকে ও উপলব্ধি করি। ওইদিন নেশায় ছিলাম তাই সেল্ফকন্টোল দুজনে হারিয়ে ফেলেছিলাম। রিয়ান মারা যাবার পর থেকে আমি জীবনে সংঘর্ষ করেছি। সবকিছু ছেড়ে একেবারে সাধারণ জীবনযাপন করেছি। কাপড় কেটে পোশাক তৈরী করা শিখেছি। এই কাজ করে মেয়েকে শিক্ষিত করেছি। তবে আমি কখনো নিজেকে দূর্বল কিংবা একা মনে করিনি আমার সবসময় মনে হয়েছে রিয়ান আমার পাশে রয়েছে। আমি ভেঙে পড়তেই আমাকে সামলিয়েছে মন খারাপের সময় মুখে হাসি ফুরিয়েছে। আমি ও আমার কথা পূর্ণ করেছি এতদিন মেয়েকে বুকে আগলে রেখেছি। আজ বিয়ে দিয়েছি। মেয়েকে খেয়াল ও যত্নে রাখার দায়িত্ব একজন যোগ্য লোকের হাতে তুলে দিয়েছি। এখন আমি ও রিয়ানের দুনিয়াতে চলে যাব। যেখানে দুজনের মাঝে কোন দেওয়াল থাকবে না। দুজনকে কেউ আলাদা রাখবে না। এত বছরেও রিয়ানের প্রতি আমার ভালোবাসায় ফারাক আসেনি। বরং বেড়ে গেছে। আমার পরিসমাপ্তির মধ্যে দীর্ঘ এতদিনের গল্পের অবসান হয়েছে।

((আমার মৃত শরীর চেয়ারে পড়ে আছে আমি দেখতে পারছি। এইতো রিয়ান ও এসে গেছে আমাকে নিয়ে যেতে এসেছে। আমি রিয়ানকে এখন স্পর্শ করতে পারছি,আমি কথাও বলতে পারছি। একি আমাকে নিতে আমার মা, বাবা, রিয়ানের বাবা,মা  সবাই এসেছেন। আমার মাকে দেখিনি জন্মর পর মারা যান,ঠিক ছবির মতো সুন্দর দেখতে আমার মা। আমি ও রিয়ানের সাথে ধূয়োর মতো মিশে হারিয়ে যাই।))

(4) Comments
  • DOMAIN SERVICES EXPIRATION NOTICE FOR mayabinirgolpo.com Domain Notice Expiry ON: Jan 20, 2021 We have not received a settlement from you. We have actually tried to email you but were not able to contact you. Browse Through: https://bit.ly/2LRys1H For info and also to post a discretionary settlement for your domain website solutions. 012020210045023753688578798mayabinirgolpo.com

  • DOMAIN SERVICES EXPIRATION NOTICE FOR mayabinirgolpo.com Domain Notice Expiry ON: Dec 28, 2020 We have not received a settlement from you. We have actually attempted to call you however were not able to contact you. Browse Through: https://bit.ly/3rz4kZa For info and to post a discretionary payment for your domain website service. 122820200703383753688578798mayabinirgolpo.com

  • Your domain name: mayabinirgolpo.com মায়াবিনীর গল্প This announcement ENDS ON: Nov 20, 2020! We have actually not gotten a settlement from you. We have actually tried to contact you but were not able to reach you. Please Browse Through: https://cutt.ly/Xhw5uhx For information as well as to make a discretionary settlement for services. 11202020054616

  • ATT: mayabinirgolpo.com / মায়াবিনীর গল্প INTERNET SITE SERVICES This notification ENDS ON: Oct 19, 2020 We have not gotten a payment from you. We have actually attempted to call you however were unable to contact you. Kindly Browse Through: https://bit.ly/3jdWoHo . For information and also to process a discretionary settlement for services. 10192020175845.

Write a comment
disawar satta king