প্রথম ও শেষ প্রেম আমার নীলাজ্ঞনা।

নীলাঞ্জনা প্রথম প্রেম আমার। আমি রৌণিত নীলাঞ্জনা কে খুব ভালবাসি। প্রথম দেখছিলাম আজ থেকে প্রায় আট বছর আগে নবমীর পূজোতে নীল রঙের শাড়ী পড়ে মা দুর্গার পায়ে পুষ্পাঞ্জলি দেবার সময়

,কী সুন্দর লাগছিল ওকে দেখতে কপালে নীল ফোটা সঙ্গে শ্বেত চন্দন,দু'গাল ভর্তি সবসময় মায়াবী হাসি, ছোট-ছোট স্বচ্ছ দুই চোখ, ঠোঁটের উপরে বাপাশে আকর্ষণীয় একটি কালো তিল,মাঝারি আকারের নাক, ফর্সা মিশ্রন রঙ, উচ্চ বক্ষ, ছিমছাম হলেও সুঠাম ও আকর্ষণীয় শরীরের অবয়ব। নীলাঞ্জনা আমার চোখ জুড়িয়ে জীবনের শেষ দেখা মেয়ে,নীলাজ্ঞনাকে দেখার পর অন্যরকম অনুভূতি আকুলতা অনুভব করি, দেশের বাইরে অনেক বার গিয়েছি কাজের জন্য ,অনেক মেয়ে কে নিয়ে ফুর্তি করেছি, তবে নীলাজ্ঞনা কে দেখে যা অনুভব করেছিলাম তা আগে করিনি। প্রথম দেখে জীবনে প্রথম ও শেষ বারের মতো প্রেমে পড়েছিলাম। মা দুর্গা কে ওইদিন বলেছিলাম "মা গো নীলাজ্ঞনা আর আমি যেন একসঙ্গে তোমায় অঞ্জলি দিতে পারি। এরপর থেকে অনেকদিন নীলাজ্ঞনার পেছনে ছুটে বেড়াই। নীলাজ্ঞনা কলেজে ভর্তি হয়েছিল। আমি প্রতিদিন সকালে কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতাম কি রৌদ্র কি বৃষ্টি নীলাজ্ঞনা কে একবার দেখবো বলে অপেক্ষা। তবে সামনে গিয়ে কথা বলার সাহস পাইনি,কলেজ ছুটি হবার পর আমি দাড়িয়ে আছি রাস্তায় কখন আসবে নীলাজ্ঞনা দেখছি সেই সময় বৃষ্টি আসে আর সঙ্গে আমার নীলাজ্ঞনা ও অনেক লোক দৌড়ে একটা চায়ের দোকানে আশ্রয়ের জন্য যাই। আমি আর নীলাজ্ঞনা পাশাপাশি দাঁড়িয়েছিলাম, লোক বেশী হওয়াতে সবাই ডাক্কাডাক্কি করছিল এতে নীলাজ্ঞনা এসে আমার উপরে পড়ে আমিও জড়িয়ে ধরে নিই নীলাজ্ঞনাকে,নীলাজ্ঞনা লজ্জা  পেয়ে লাল হয়ে উঠল। ও কিছু কথা না বলে বৃষ্টির মধ্যে ভিজতে ভিজতে চলে গেল, আমি ও পিছু ছুটলাম তারপর দুজন একসাথে বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে হাটতে থাকি, নীলাজ্ঞনা জিজ্ঞেস করে আপনি আমাকে ফলো করেন কেন?  আমি অভদ্র আচরণ করি বলে লজ্জা পেয়ে যাই, তারপর বলি তোমাকে ভালো লাগে আমার আসলে আমি মানে ওই মানে বলে না যে তোমাকে বিয়ে করে আমার সাথে কলকাতায় নিয়ে যেতে চাই। নীলাজ্ঞনা বলে রেগে আপনি না বুঝে কথা বলছেন। আমাদের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে কিছু জানেন না তাই এইরকম বলছেন। আমি তাড়াহুড়া করে বলে ফেলি আমি জানতে চাই তোমার ব্যাপারে সবকিছু, নীলাজ্ঞনা বলে আমরা অনাথ,আমি ছাত্র পড়িয়ে টাকা দিয়ে আমাদের পরিবার ও আমার পড়াশুনা চালিয়ে নিচ্ছি, কলেজ পাশ করলে আমি চাকরী পাব এই আশায়। আপনি অযথা আমার পিছু করবেন না প্লিজ। আমার নীলাজ্ঞনা কে চাই তাই আমি নীলাজ্ঞনা কে অনুরোধ করি আমাকে বুঝো আমি ভালোবাসি আমার যথেষ্ট টাকা পয়সা আছে তো নীলাজ্ঞনার আর এত কষ্ট করার প্রয়োজন নেই। আমি তোমাকে বিয়ে করার জন্যে যেকোন কিছু করতে পারি। নীলাজ্ঞনা প্রশ্ন করে সত্যিই যেকোন কিছু, আমি হ্যাঁ বলি। নীলাজ্ঞনা ওর সাথে ওর ঘরে নিয়ে যায় আমায় তারপর ওর থেকে দু’বছরের বড়ো দিদির সাথে পরিচয় করায় আসলে দিদি উন্মাদ, সাত বছর আগে ওর প্রেমিক বিয়ে করবে বলে ও বিয়ে না করে পালিয়ে গেছে এরপর থেকে দিদি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে, নীলাজ্ঞনা উনার দেখাশোনা করছে। নীলাজ্ঞনা বলে আমি আপনাকে একটা শর্তে বিয়ে করব আপনাকে একইসাথে আমি ও আমার দিদি দুজনকে বিয়ে করতে হবে। আমি চাই না আমার দিদি আপনার উপর বোঝা হয়ে বেঁচে থাকুক, আমার মতো আমার দিদিও আপনার দায়িত্বে থাকবে।এসব কিছু শুনে আমি তো কিছু বলার শব্দ খুঁজে পাচ্ছিলাম না। অন্ততঃ আমি একমাত্র নীলাজ্ঞনার জন্য এই বিয়েতে সম্মতি দিই। বিয়ের পর দুই পত্নী ও আমি কলকাতা চলে আসি আমার মা ও ছোট ভোন প্রথমে এসবকিছু মেনে নিতে পারছিলেন না তবে দিদির অবস্থা থেকে আমার মা এর মন নরম হয়ে যায়। আমাদের আজ ফুলসজ্জা নীলাজ্ঞনা ও আমি একটা সাজানো রুমে আছি।

নীলাজ্ঞনা পায়ের নখ দিয়ে বিছানা চাদর কে এলিয়ে দিচ্ছে, নীলাজ্ঞনা চোখ তুলে লজ্জায় তাকাচ্ছে না, ওইসব সেক্স আমি অনেক করেছি, অভিজ্ঞতা আছে তবে আজ যেন আমিও নার্ভাস, নীলাজ্ঞনার পাশে গিয়ে বসি ওর হাতদুটো জড়িয়ে ধরে আমি নীলাজ্ঞনা কে বলি তোমাকে ভালবাসি  আমি। এরপর হাল্কা করে নীলাজ্ঞনার  গালে চুমু খাই, কাপড় সব খুলে ফেলে দিই, সমস্ত শরীরের উপর হাত বুলিয়ে দিতে থাকি যাতে আস্তে আস্তে নীলাঞ্জনা স্বাভাবিক অনুভব করে,এরপর আস্তে করে সমস্ত শরীরে চুমু খাই। দুজনের লালায় দুজনের শরীর ভেজা ও আঠালো হয়ে ওঠে,দুজন আস্তে আস্তে করে ভালোবাসার গভীরতার দিকে এগিয়ে যেতে থাকি একসময় চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে যাই, আমি নিজেকে আর সামলাতে পারি না, আমার ধৈর্য্য নদীর বাধ ভেঙে নীলাজ্ঞনাকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তারপর আমি একটু সাধারণ মানুষ হই লক্ষ্য করি নীলাজ্ঞনার দুই চোখ বেয়ে জল পড়ছে, আমি জিজ্ঞাসা করলে নীলাজ্ঞনা বলে এই জল খুশির, তৃপ্তির। তারপর এই উলঙ্গ অবস্থায় দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ি। পরেরদিন সকাল থেকে নীলাজ্ঞনার এক নতুন বায়না ধরছে ওর দিদিকে ও নাকি চরমসুখ দিতে হবে ও চায় ওর দিদি একটা বাচ্চা জন্ম দিক। আমি বললাম তুমি পাগল হয়ে গেছে‌ো নীলু। আমি তোমাকে ভালোবাসি নীলু, ওইসব আমার থেকে হবে না। নীলু যেন যুদ্ধ বাধিয়ে দিল। আমি বড্ড সমস্যায় পড়ে গেলাম, নীলাজ্ঞনা কে দেখে প্রেমে পড়ার পর থেকে আমি নিজের অজান্তেই বদলে গেছি, আমি ওইসব পারব না স্পষ্ট করে জানিয়েও দিলাম নীলুকে তবে নীলুকে বুঝাতে পারে এ ক্ষমতা কারো আছে, নীলুর ওই কথা রাখিনি বলে মুখ ফুলিয়ে আছে,এইরকম রাগারাগি করে এক সপ্তাহ যায়, আমার বিয়ের নেমন্তন্ন চায় অফিসের সব বন্ধুরা, তাই  উপায় না দেখে নেমতন্ন করি রাতের খাবার খেতে। নীলাজ্ঞনা নিজের হাতে সবকিছু রান্না করে, রান্না খেতে দারুন হয়েছিল।আমারা বন্ধুরা বসে যখন সুরা পান করছি তখন দিদি কোলে একটা পুতুল নিয়ে চলে আসে আর সবাই অবাক ও জিজ্ঞেস করে ওই মহীলা কে।

 

Ok

আমি কিছু বলার আগেই নীলাজ্ঞনা এসে বলে দেয় উনি আমার দিদি নীলিমা ও রৌণিতের পত্নী। রৌণিত একি মণ্ডপে এক সাথে দুজনকে পরিণীতা করেছেন। বন্ধুরা সবাই ঠাট্টা করতে শুরু করে এক বন্ধু দীপ বলে দেয় বন্ধু তোর তো খুব মজা একের সাথে এক ফ্রি। আমি দীপের কথা শুনে খুব রেগে যাই ওর গালে চড় মেরে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে বলি। দিদি ওইসব দেখে ভয় পেয়ে কান্না করতে শুরু করে দেয়। দীপ চলে যায়। বাকি বন্ধুরা ও অফিসে দেখা হবে বলে চলে যায়। আমি বিছানায় চুপ করে বসে আছি মাথায় দীপের কথা ঘুরছে ও আমার নীলাজ্ঞনা আমার নীলুকে নিয়ে তামাশা কি করে করতে পারে ওর সাহস তো কম না। হঠাৎ অনুভব করি আমার কাধে গরম স্পর্শ মুখ ঘুরিয়ে দেখি নীলাজ্ঞনা। ও আমাকে বলে খুব মাথা গরম তোমার, এই বলতে গিয়ে আমার পাশে বসে আমাকে গলায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে, তুমি আমার দিদিকে যে বিয়ে করেছো আমার মতো মর্যাদা দিয়েছো আমি এতে খুব খুশি। তোমার আগে অনেকেই আমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলো কিন্তু আমার দিদিকে সম্মান দিতে কেউ তৈরী ছিল না। আমি বুঝি তুমি আমাকে খুব ভালোবাসো আমার জন্য তুমি আমার দিদিকেও আপন করে নিয়েছো, আমি কৃতজ্ঞ রৌণিত। আমি নীলুর গালে চুমু খেয়ে বললাম ওসব বলতে নেই, আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি। এরমধ্যেই শুনা যায় নীলম (দিদি) কাদছে গল্প না শুনে ঘুমোবে না। নীলাজ্ঞনা দিদি কাছে যায় আমিও সাথে যাই। নিজে থেকে বলি আজ গল্প আমি শুনাবো, দিদি বলে আমি পরীর গল্প শুনবো নীলাজ্ঞনা বলে ঠিক আছে তাই হবে বলে দিদিকে কাছে টেনে নেয় কোলে মাথা রেখে ঠিক বাচ্চাদের মত আঙুল মুখে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন দিদি। আমি গল্প শেষ করে দেখি নীলুও ঘুমিয়ে পড়েছে। আমি চাদর টা টেনে দিয়ে নীলুর কপালে চুমু খেয়ে, দিদি মাথায় হাত বুলিয়ে চলে যাই আমার রুমে এরপর মনে নেই আমি ও ঘুমিয়ে পড়ি। দিদির খেয়াল এতদিন নীলাজ্ঞনা রেখেছে তবে এখন আমি ও রাখছি, আমাদের যত্নে দিদি আস্তে আস্তে করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে শুরু করেছেন। দীপ একটা ফুলের তোড়া নিয়ে এসে হাত জোড় করে ক্ষমা চায়। নীলুর অনুরোধ করাতে আমি দীপকে ক্ষমা করে দিই,আমাদের ঘরে দীপের আনাগোনা প্রায়ই ,দিদিও দীপকে দেখে খুব খুশি হয়ে যান। দীপের আসার পর থেকে দিদি প্রায় এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। দীপ আমার কাছে এসে বলে দিদিকে বিয়ে করতে চায় সঙ্গে এও বলে দীপ হলো সেই ছেলে যে দিদিকে বিয়ে করবে বলে আর বিয়ে করতে যায়নি। আসলে দীপের মা একটা অনাথ মেয়েকে নিজের ঘরের বউ করতে রাজি ছিলেন না। আজ মা বেচে নেই মায়ের পছন্দের মেয়ের সাথে বিয়ে করেছিলো দীপ তবে বিয়েক কিছুদিন পরে বউ পাশের বাড়ির দেবরের সাথে পালিয়ে যায়। পরে খোঁজখবর নেওয়াতে জানা যায়, বিয়ের আগে ওরা একে অপরের ভালোবাসতো। দীপের কথা শুনে আমি কিছু বলি না তবে নীলাজ্ঞনা দীপকে একটা ঠাসিয়ে চড় মারে এরপর কান্না করে বলে তোমার জন্য আমার দিদি কত কষ্ট পেয়েছে তুমি চলে যাবার পর আর্থিক ভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে দিদি সেসময় দিদি প্রেগনেন্ট ছিলো। ডাক্তার ওর 

সঙ্গে ঘুমানোর বিনিময়ে দিদির বাচ্চা নষ্ট করার দায়িত্ব নেয়। দিদি কে খুব নির্যাতন করেছিলো, আমি সকালে দিদিকে ঘরে আনতে গিয়ে দেখি সমস্ত শরীরে কাটাছেড়ার দাগ। দুপায়ে কাপড়ে টুকরো টুকরো রক্ত জমে শুকিয়ে আছে সমস্ত শরীরে দুর্গন্ধে ভরা।ধর্ষণের ফলে দিদির গর্ভপাত হয়ে যায়। মাথার অনেক চুল ছেড়া যেন কেউ টেনে ছিঁড়েছে। ঘরে এসে দিদিকে স্নান করিয়ে দিই তখন দেখি শরীরের বিভিন্ন জায়গায় সিগারেট দিয়ে জ্বালানো, পিঠে কোমরের বেল্টের দাগ। দিদি কোন কথা বলছিলো না শুধু দুচোখ বেয়ে জল পড়ছিলো আমি দিদিকে ঘুম পাড়িয়ে দিই। দিদি ঘুম থেকে ওঠার পর দেখি দিদির স্বভাবের পরিবর্তন। ওইদিন থেকে দিদি আমার সবকিছু, পরেরদিন সকাল বেলা কয়েকজন লোক এসেছিলো ঘরের সামনে এসে চেছাচ্ছিলো দিদিকে বেশ্যা মাগী বলে গালি দিচ্ছিলো একটা লোক ঘরে ভেতরে আসতে ছিলো দিদিকে নিয়ে যাবার জন্য। গালি দিচ্ছলো ওই মাগী আমি চু....বো। আমার বয়স নেহাত অল্প তবুও বুঝতে পারছিলাম দিদিকে আবার কোন ক্ষতি করতে এসেছে। আমি চাইছিলাম না দিদিকে গতকালের অবস্থায় দেখতে। আমি একটা সব্জি কাটার দা নিয়ে বেড়িয়ে যতটা সম্ভব চিৎকার করে বলি কে কে আসবে এসো আমি দা দিয়ে টুকরো করে রেখে দেবো আমার দিদির কাছে আসলে। চিৎকার শুনে পাশের বাড়ির একজন লোক চলে আসেন ওই লোকগুলো ভয়ে পালিয়ে যায়। দীপ সবশুনে ক্ষমা চাইছিলো নীলাজ্ঞনার কাছে। আমি নেহাত শক্ত মনের পুরুষ মানুষ তবে দিদির কথা শুনে চোখের কোনায় জল চলে আসে। আমি নীলাজ্ঞনার সাহসিকতার জন্য ওকে জড়িয়ে ধরি, দীপ গলা ছেড়ে কাশি দেয়। আমি নীলাজ্ঞনা কে ছেড়ে দিই। খুব তাড়াতাড়ি দিদিকে ডির্ভোস দিয়ে, দীপ ও নীলাজ্ঞনার বিয়ে দিয়ে দিই। নীলাজ্ঞনা দিদিকে খুশি দেখে খুব খুশি আমি নীলীকে খুশি দেখে ভীষণ খুশি। নীলাজ্ঞনা আমার বুকে মাথা রেখে আমার হাতে চুমু দিয়ে বলে ধন্যবাদ। আমি ওর কপালে চুমু খাই বাইরের রুম থেকে গান ভেসে আসছিলো টিভি থেকে "আজ ফির তুমপে প্যায়ার আয়া হে বেহদ ওর বেশুমার আয়া হে"। নীলাজ্ঞনা বলে রৌণিত রোমান্টিক গান শুনে আমার রোমান্স করতে ইচ্ছে করছে।

 

আমি ও বলি হ্যাঁ তবে মনে মনে প্রতিজ্ঞা করি আজ নীলাজ্ঞনার চোখ থেকে জল ঝরতে দেবো না। কারণ "নীলাজ্ঞনা আমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা "।

(3) Comments
Write a comment