Virgin

একটা মোবাইল কুইজ প্রতিযোগিতা গেইম। বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেক মানুষ সেটা খেলেছে,

এর মধ্যে সাতজন লোক গেইম জিতে সিলেক্ট হয়েছেন পরের ধাপে খেলার জন্য। এরপর সবাইকে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় আসতে বলা হয়েছে। সাতজন এসেছেন এরপর সবার চোখে কালো কাপড় বেধে দেওয়া মাটির নীচে তৈরী সাতটা বড়ো কক্ষে নিয়ে চেয়ারে বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। চোখের কাপড় খোলার পর সবার সামনে ছয়টা বড়ো টিভি স্ক্রিনে অন্য ছয়জনকে দেখতে পারছে সবাই। এরপর মাক্রোফন থেকে একটা মহীলা কণ্ঠে আওয়াজ আসে সবার কাছে। " সবাইকে স্বাগতম। এই গেইমে। প্রত্যেকে পাচটি প্রশ্ন করা হবে ও প্রত্যেকেই সত্যি কথা বলতে হবে। যদি কেউ ভুল বলেন তবে শাস্তি দেওয়া হবে। এবং এই পাচটি প্রশ্নের উত্তর শেষে যে বিজেতা হবে তাকেই এই জায়গা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে। একটা শুনে অনেকেই টিভি স্ক্রিনে দিকে চিচিয়ে বলছিল। এইসব কি হচ্ছে। অনেকে বলেছে আমি এই গেইম খেলব না। টিকটিক করে ঘড়ির কাটা ঘুরে। আর প্রথম ঘরে থাকা 'রিয়া' এর সাথে গেইম শুরু হয়। অন্য ছয়জন এখন ফুল স্রিনে রিয়াকেই দেখছে। মাইক্রফোন  থেকে মহীলা কণ্ঠে আওয়াজ আসে রিয়া তুমি মিথ্যা বলতে পারবে না।   খেলা  শুরু করছি! 

 (1) প্রশ্ন :-    তুমি কি ভার্জিন?

উত্তর :- না। 

(2) প্রশ্ন :-  তুমার কি সিক্রেট সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আছে! আমি আমার হাসবেণ্ড কে ডেভিল(মাথায় বড়ো সিং, লম্বা কান,কোন নাক নেই, বিকৃত,অদ্ভূত চেহারা। শরীরে নোংরা, ধূলো মাখা) রুপে দেখতে চাই এরপর ওর সাথে সেক্স করতে চাই। সামথিং লাইক ডার্টি। 

(3)প্রশ্ন :- তোমার কিরকম।  সেক্স পছন্দ? 

উত্তর :- সাধারণ, সহজ। নম্র। যেটা সাধারণ। আমার হাতের চুড়ির শব্দ, পায়ে নুপুর এর শব্দ। রুমে ধূপকাটির গন্ধ। শরীরে মিষ্টি সুগন্ধীর গন্ধ। 

(4)প্রশ্ন:- তোমার সঙ্গী কে চিট করেছো? কেন?  

উত্তর :- হ্যাঁ। কাজের তাগিদে বেশিরভাগ সময়েই স্বামী ঘরের বাইরে থাকেন। টাকা পয়সা আছে তবে সেক্স জীবন দুর্বিষহ। দুজনের মধ্যে খুব কম সময় ই দেখা হয়। একবার আমি আর আমার কয়েকজন বান্ধবী মিলে ম্যানালী ঘুরতে গেছিলাম। সেসময় হোটেলের একটা রুমে সবাই পার্টি করছিলাম তখন আমাদের এক বান্ধবী বলে সবার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে। রাত বারোটার পর এই রুমে সবার জন্য স্কট বয় আসে। সিলেক্টিভ একজন আমার জন্য ও আসে সবাই যে যার রুমে চলে যায়। এদিকে রাত বাড়তে থাকে। স্কট বয় বলে ম্যাডাম শুরু করি। আমার ওসব কিছু ভালো লাগছিল না  তবে আমি ছাড়তে চাইছিলাম না। স্কট বয়  মোবাইল এ একটা গিটার বাজায়। এরপর একমিনিট সময় চেয়ে নেয় বলে ম্যাডাম আমি একটু ফোনে কথা বলতে পারি। আমি বাইরে যেতে বারণ করি এরপর আমর সামনে কথা বলতে বলি। স্কট বয় ওর মেয়ের সাথে কথা বলে ওকে প্রমিজ করে সকালে এসে দেখা করবে ও কেইক, পুতুল সব নিয়ে আসবে। এখন কাজে আছে তাই ফোনে কথা বলতে পারবে না। আমার ওর কথাটা শুনে আমার আর আমার স্বামীর কথা মনে পড়ে যায়। সেও রাতে ঘরে থাকে না। ফোন করলে এরকম বলে ব্যস্ত আছি কাজে, সকালেই কথা বলছি। তাহলে কি আমার স্বামী এখনো স্কট বয়। আমি স্কট বয়কে জিজ্ঞেস করি এই তোমার মেয়ে আছে। তুমি এসব করো কেন। ছেলেটি জানায় কোন চাকরি পায়নি। পয়সার অভাবে অসুস্থ পত্নীকে বাচাতে পারেনি ওর মেয়ের ও ক্যানসার অনেক অনেক টাকা চাই। মহিলাদের খুশি করে টাকা ইনকাম করছে। সেও সবাই মতো পরিশ্রম করে কাজ করে ই টাকা ইনকাম করছে। আমি ওর নাম জিজ্ঞাসা করাতে সে বলে যে ম্যাডাম আমার নাম কোনটা জানবেন আসল না নকল?  আমি কিছুসময় চুপ করে বসে থাকি এরপর ওকে বলি এইযে মশাই তুমি কি শুধু  এমনি গল্প করতে থাকবে নাকি কাজটাও শুরু করবে। টাকাটা তো কাজের বিনিময়ে পাবে। এরপর ছেলেটা একগাল হেসে আমার দিকে এগিয়ে আসে। এরপর সমস্ত শরীরের কাপড় খুলে ফেলে এরপর চুমু খেতে থাকে। সমস্ত শরীরের আনাচে কানাচে হাত বুলিয়ে চুমু খেতে থাকে একসময় শারীরিক সম্পর্ক ও সমাপ্ত হয়। নিশ্চিত যে সে একজন দক্ষ ছিল, কম্পিল্ট স্যাটিসফ্যাকশন। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে খুব মাথাব্যথা। আমার মোবাইল এ দেখি কল লিস্টে একটা নাম্বার সেইভ করা স্কট বয়। আমি ওকে ফোন করি তবে ফোনটা রিসিভ করে না। whatsapp এ আমাকে ওর মেয়ের সাথে কেইক কাটার কিছু ছবি পাঠায়।

আমি জিজ্ঞাসা করি তোমার নাম তবে সে আবার ও বলে আসল না নকল?  ওইদিন রাতেও আমি ওকে ডেকেছি রুমে। এরপর বাড়ি ফিরে আসি এরপর প্রায় ই আমি ম্যানালী যাওয়া আসা করি। ওর মেয়েকে একটি উন্নত মানের হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছি। 

(5) প্রশ্ন:- আপনাকে এইজায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন ? আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- (শেষ উত্তর টি ওই ফাইক্রোফোন দেবে, রুমের ভেতরের কাউকে বলতে হয় না কিছু। ) আপনার স্বামীর সুপারিশ এ আপনি এ জায়গায় আছেন। আপনার স্বামীর সাথে আপনার বিয়ে জোর করে হয়েছে আপনার স্বামী আপনাকে পছন্দ করে না। আপনার স্বামী যাকে ভালোবাসে তাকেই বিয়ে করেছে,আর ওর সাথে ই তিনি থাকেন। আপনার স্বামী চায় যে আপনাকে মেরে ফেলা হোক। এরপর আপনার সম্পত্তি উনার হবে এবং আপনার থেকে মুক্তি ও পেয়ে যাবে। আর আপনার স্কট বয়কেও গাড়ি দূর্ঘটনায় মেরে দেওয়া হবে। 

..... এই বলে সমস্ত রুমে প্রট্রোল ছিটকে পড়তে থাকে। এরপর রিয়ার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। রিয়া শুধু বলে স্কট বয়কে ছেড়ে দিতে। এরপর রিয়া আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় বিক্রম। 

(1) প্রশ্ন:- তুমি কি ভার্জিন? 

উত্তর :-  ন্যা। 

(2) প্রশ্ন :- তুমার কি সিক্রেট সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আছে!  আমি ছোট ছোট নরম বাচ্চা মেয়ের সাথে সেক্স করতে চাই। ওদেরকে বিভিন্ন রকমের পোশাক পরিধান করিয়ে আমি ওদের সাথে একটা হোটেলের রুমে সেক্স করতে চাই। 

(3) প্রশ্ন:-তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ? 

উত্তর:- ব্যথাদিতে পছন্দ করি, আমার ওয়াইফের সঙ্গে।ওকে মারামারি করতে। যখন সে ব্যথায় ছেড়ে দেবার জন্য আর্তনাদ করে। 

(4) প্রশ্ন :- তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো? কেনো? 

উত্তর :- হ্যাঁ, আমি আমার ওয়াইফকে হত্যা করেছি। সবসময় কিচকিচ করতো। কোন বাচ্চা মেয়েকে অনেক কষ্টে ফুসলিয়ে ধরে নিয়ে আসলে। খুব ঝগড়া ও চেচামেচি করতো। বাচ্চা মেয়েটির সাথে সেক্স করতে বাধা দিতে থাকত। একদিন দূর্ঘটনায় ওয়াইফের বড়ো দিদি ও স্বামী মারা যায়। এরপর ওদের তেরো বছরের মেয়ের দেখাশোনা্র দায়িত্ব পড়ে আমাদের উপর। আমার ওয়াইফ চাইছিলো মেয়েটি কোন অনাথালয়ে রেখে দিতে তবে আমি জোর করে নিয়ে আসি আমাদের ঘরে। ওই মেয়েকে নিয়ে প্রতিদিন ঝগড়া হয়, ওয়াইফ সবসময় আগলে রাখে মেয়েটিকে আমার থেকে। একদিন আমার ধৈর্য্যর বাধ ভেঙে যায়। আমি ওয়াইফকে খুব মারামারি করে ওই বাচ্চা মেয়েটিকে টেনে টেনে ঘরের পাশের জঙ্গলে নিয়ে যাই। এর পর শরীরের কাপড় জোর করে ছিড়তে থাকি। তখন আমার ওয়াইফ একটা কাস্তে নিয়ে আসে আমাকে আটকানোর জন্য, আমি বাচ্চা মেয়েটিকে গাছের সাথে বেঁধে রেখে দিই। আর আমার ওয়াইফের হাতের কাস্তে নিয়ে ওর গলা কেটে দিই। এরপর সে মারা যায়। এরপর দেখি বাচ্চা মেয়েটি ভয়ে কাপছে। আমি ওকে রেপ করে কুয়োয় ফেলে দিই। এরপর ও চটফট করছিলো তবে যতক্ষণ পর্যন্ত মারা যায়নি ততক্ষণ পর্যন্ত কূয়োর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। এরপর থেকে অনেক বাচ্চা কে রেপ করেছি তবে সবগুলো অজ্ঞান ছিল। আমার নামে কেস হয়েছিল তবে নির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকায় আমাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে‌।

(5) প্রশ্ন :- আপনাকে এইজায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন? আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- আপনাকে আপনার 'মা' এর কথায় রাখা হয়েছে। তিনি একটা চিঠিতে জানিয়েছেন আপনার কুকর্মের কথা। তিনি চান আপনি মৃত্যু। নতুন কোন ফুলের মতো বাচ্চাকে মরতে হবে না। আপনি তো সবগুলো মৃত শরীর কুয়োয় লুকিয়ে রাখতেন। 

..... এই বলে সমস্ত রুমে জল আসতে শুরু করে। সে ডুবে ডুবে মারা যায়। ওর মা টিভিতে ওর মৃত্যু দেখে শাড়ীর অাচল দিয়ে চোখের জল মুছে। টিভি বন্ধ করে দেন।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় নিহা। 

(1)প্রশ্ন:-  তুমি কি ভার্জিন? 

উত্তর :- ন্যা। (কি হচ্ছে এসব। আমার ডিটেইলস এ লেখা ছিল আমি বিবাহিতা তো তোমাদের এসব প্রশ্নে অযৌক্তিক)

(2) প্রশ্ন:- তোমার কি সিক্রেট সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আছে!  আমার অফিসের বসের ওয়াইফের সাথে একটি রাত কাটাতে চাই। আমি ছেলে হলে ওই ম্যাডামকে বিয়ে করে নিতাম। 

(3) প্রশ্ন :- তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ ? 

উত্তর:-আমার উত্তেজনামূলক সেক্স পছন্দ।

(4) প্রশ্ন :- তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো? কেনো? 

উত্তর :- ন্যা। একি অফিসে কাজ করি আমি আর আমার স্বামী। আমার স্বামী বয়সে নয় বছরের ছোট আমার থেকে। প্রতিদিন অফিস ক্যান্টিনে বসে কথা বলা, নাম্বার অদল বদল করা দুজনের সঙ্গ দুজনেই খুব ভালো লাগলো এরপর সমস্ত বিপত্তি, লোকের কটাক্ষ কে অবহেলা করে দুজনেই বিয়ে করে নিই। ছয়মাস সবকিছু ঠিকঠাক ও ছিল দুজনের মধ্যে তবে হঠাৎ যেন কি হয় সবকিছু পাল্টাতে থাকে। আমার স্বামীর আমাকে নিয়ে সমস্যা। আমাকে নাকি বুড়ি দেখায় ওর সামনে। কোন পার্টিতে নিয়ে যেতে চায় না। সেক্স এর পরে কোন প্রোটেকশন পিল নিতে দেয় না। ওর নাকি এখনি বাচ্চা চাই। তাও আবার ছেলে। প্রেগনেন্সি টেস্ট এ মেয়ে ধরা পড়তেই জোর করে এ্যবোরশন করিয়ে দেয়। এতদিন সে একা ছিল এর পর কোথাথেকে ওর মা চলে আসে। দুজন মিলে করে অত্যাচার। কতবার লাথির আঘাতে বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে। আমার অফিসের বন্ধুরা বলে আমার স্বামীর বসের ওয়াইফের সাথে অবৈধ সম্পর্ক আছে।

অনেকবার হাতে নাতে ধরা হয়েছে তবে আমাদের বস বুড়ো তাই তিনি ও এসবে মাথা লাগান না। মেয়ে বলে বলে আমার অনেক বাচ্চা মেরে ফেলা হয়েছে। সংসারে অশান্তি ছাড়া কিছুই নেই। সম্পর্ক শুধু একটা ছেলে জন্ম দেবার উপরে ঝুলছিলো। আমার মনে ঠিকমতো নেই তবে দিনেরপর দিন বাথরুমে বন্ধ করে রাখা হতো। খাবার খেতে দেওয়া হতো না। অনেকবার পুলিশের সহায়তা চেয়েছি তবে মা ও ছেলে মিলে আমাকে মানসিক রোগী,পাগল ইত্যাদি বলে ঘরে এনেছে। খুব অত্যাচার করেছে। এখন শুধু অপেক্ষায় রয়েছে আমার ছেলে জন্ম দেবার। এর পরেও আমাকেও পুড়িয়ে মারবে। আমার সোনা, জমি সব নিজেদের নামে করে নেবে। 

 

(5) আপনাকে এই জায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন?  আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- আপনার ছেলে হয়েছে, এখন আপনাকে মেরে ফেলা হবে। সবাই জানবে আপনাকে খোজে পাওয়া যাচ্ছে না। রহস্যজনক ভাবে আপনি মৃত।

.... এরপর একগ্লাস সরবত আসে (বিষ মেশানো) নিকি সেটা খেয়ে নেয়। এরপর মুখে ফ্যানা বেড়িয়ে শরীর নীলাক্ত হয়ে মারা যায়।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় রণি। 

(1) প্রশ্ন:- তুমি কি ভার্জিন? 

উত্তর :- ন্যা। 

(2) তোমার কি সিক্রেট সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আছে! আমার বন্ধুর ওয়াইফের সাথে অবৈধ সম্পর্ক করতে চাই। আমার ওয়াফকে একবার একটা সত্য কথা বলতে চাই। 

(3) তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ? 

উত্তর :- ঝকঝক আলোতে। অনলাইনে যেসব দেখা যায়। হার্ড কোড সেইরকম এর সেক্স পছন্দ। 

(4) প্রশ্ন :- তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো?  কেনো? 

উত্তর :- হ্যাঁ। আমি ছোট থেকেই সেক্স কে প্রাধান্য দিই। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গিয়ে সেক্স বিডিও দেখা। বন্ধুর প্রেমিকাকে ফুসলিয়ে চুমু খাওয়া। কখনো আবার সেক্স করা। আসলে আমি প্লে বয়। মেয়েদের মনের স্টার। 

মেয়ে মানে আমার কাছে উত্তেজনামূলক বিষয়। আমার বোন, ভাইয়ের ওয়াইফ কেউ ই বাচে নি আমার হাত থেকে। আমার মিষ্টি কথার জালে সবাই ফেসে আমার কাছে আত্মসমর্পণ করে। আমাকে বলে তৃষ্ণা মিটিয়ে দিতে। আমি তাই করি। আমার কোন দোষ নেই। আমার মা বাবা অতিষ্ঠ হয়ে একটা মেয়ের সাথে বিয়ে দিয়ে দেন। সেই মেয়ে আমার মতোন না ওর চিন্তাধারা বিপরীত। সে মোটেও বোল্ড না, ফেন্টাসি প্রিয় না। শরীরে যত ই হাত বুলিয়ে চুমু খেতে থাকি না কেন। সে গরম হয় না একেবারে ঠাণ্ডা। আমার ব্যাপারে সবকিছু জানে তবে কিছু বলে না। অনেকদিন ওর সামনে বিছানায় অনেক মেয়ের সাথে সেক্স করেছি তবে ওর মধ্য কোন পরিবর্তন লক্ষ্য হয়নি। ধূর ধূর আমার এইরকম ভালো লাগে না। আমি আমার মতোন বাচি মেয়েদের স্বপ্নের রাজা আমি।

(5) প্রশ্ন :- আপনাকে এইজায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন? আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- আপনি একদিন নেশায় একটি কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে ধান ক্ষেত নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করেছিলেন। এরপর আপনার মা, বাবার কাছে পু্লিশ আসে তারা আপনাকে বাচাতে সেই মেয়ের সাথে আপনাকে জোর করে বিয়ে করিয়ে দেয়। 

মেয়েটি যে বর্তমানে আপনার ওয়াইফ। তিনি প্রশ্ন করেছিলেন ? যে রেপ করেছে। তার সাথে বিয়ে করিয়ে দিয়ে কেন রেপিস্ট কে শাস্তি থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। যে মেয়েটির জীবন নষ্ট করেছে। তার সাথে বিয়ে দিয়ে কেন মেয়েটিকে জ্যান্ত ই মেরে ফেলা হয়। আপনার ওয়াইফের জন্য আপনি এই জায়গায় আছেন। আমাদের এ্যসোসিয়েশন সমস্ত দোষীদেরকে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করে। 

..... এরপর রুমে কয়েকটা লোক আসে রণির হাত পা বেধে। মুখে কালো কাপড় বেধে ফাসি দিয়ে মেরে ফেলে। 

ওয়াইফ টিভি বন্ধ করে নিজের ছেলেকে খাতায় লেখতে শেখাচ্ছ:-

 "সকল নারী কে সম্মান করবো, নারী মানে মা ও বোন, নারী মানে পৃথিবী"।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় তনু। 

(1) প্রশ্ন :-আপনি কি ভার্জিন?

উত্তর :- ন্যা। (এই সত্তর বছর বয়সে কিসব দেখতে শুনতে হচ্ছে)

(2) তোমার কি সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- ন্যা। এই বয়সে পৌছে কি ফেন্টাসি থাকবে। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমার স্বামী, ছেলে, মেয়ে, নাতি ও নাতনী সবাই সুখে থাকুক। 

(3) তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ? 

উত্তর :- ছিঃ ছিঃ কি প্রশ্ন করছো। আমার স্বামী অতিরিক্ত কারো থেকে এসব কথা শুনাও পাপ। তবে ওইসব সেক্স আমি কখনো ছিলাম না। আমার ভালো লাগত পুকুরের জল। ছাদের উপরে বিকেলের ঠান্ডা হাওয়া। বৃষ্টিবৃষ্টিতে ভিজে আম কুড়ানো এসবকিছু। 

(4) তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো ? কেনো? 

উত্তর :- ন্যা। কি অভদ্রের মতো প্রশ্ন তোরা করছিস। আমরা তোদের মতো এত এডভান্স ছিলাম না। আমাদের বিয়ের পর প্রেম শুরু হতো, আমাদের সময়ে প্রেম করে বিয়ে নয়। বিয়ের পর প্রেম হতো। তোরা অত্যাধুনিক শাখা, সিদূর কিছু পড়িস না। আমদের সময় শাখা,সিদূর পায়ে আলতা ছাড়া আমরা কিছু বুঝতাম না। স্বামী মাসের পর মাস ব্যবসা করতে গ্রামের বাইরে থাকতেন,আমাদের দিকে চোখ তুলে তাকানোর কেউ সাহস পেতো না। পায়ের নখপর্যন্ত ঢাকা শাড়ী, হাতলম্বা ব্লাউজ। মুখভর্তি ঘুমটা। নিজেকে এত গুটিয়ে রাখতাম যে স্বামী অতিরিক্ত কেউ জানতে পারতো না আদৌ আমরা কেমন। আমারা সাত আটটা ক

অধিক বাচ্চা জন্ম দিয়ে ওদের শিক্ষিত করেছি,তবে কোনদিন আমাদের গলার স্বর কেউ উচুতে শুনতে পারেনি। আমাদের সময় স্বামীকে দেখেই ভয়ে শরীরে কাপুনি দিত। তোরা তো অনেকেই জুতোপেটাও করিস স্বামীকে। কাপড় পড়ার ধরণ, কথাবার্তা তোদেরকে দেখে আমার আমাদের সময়ের নাচুনি বাইজী দের কথা মনে পড়ে। স্বামীকে ঠকিয়ে অন্য পুরুষের সাথে যৌনমিলন। এইসব তোদের আধুনিক যুগে হয়। আমাদের না। আমাদের সময় হাতে সময় ই পেতাম না কারো সাথে কথা বলার। জয়েন্ট পরিবার সবার সাথে হেসে খেলে দিন চলে যেত পরকীয়া করার সময় , সাহস ও ইচ্ছে কিছুই ছিল না আমাদের। স্বামী মারা যাবার পর পরিবার ছেলে ,মেয়েই ছিল সম্বল। ওদের অতিরিক্ত কিছু ভাবা পাপ। 

 

(5) প্রশ্ন :- আপনাকে এই জায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন?  আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- আপনার সময় সমাপ্ত। আপনাকে মেরে ফেলতে আমাদের টাকা দেওয়া হয়েছে। বৃদ্ধা আশ্রমে আপনার পরিবার পাঠাবে না যেহেতু পরিবারের সম্মান জড়িত আছে। তাই গোপনে মেরা ফেলা হবে আপনাকে 

.....এরপর সমস্ত রুমে ধোয়াটে হয়ে যায় বৃদ্ধা কাশতে, কাশতে মারা যায়।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় সৌরভ। 

(1) প্রশ্ন :- আপনি কি ভার্জিন? 

উত্তর :- এটা আবার কি? 

সবাই, হ্যাঁ, ন্যা বলছে। বিষয়টা কি? 

((ক) প্রশ্ন - আপনি কি কারো সাথে শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হয়েছেন?)

ও এটা সে তো হয়েছি। 

(2) প্রশ্ন :-তোমার কি সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আমার জীবনের চলে যাওয়া দিন গুলো আবার ফিরে পাবার। আমার ওয়াইফকে আবার সুস্থ হয়ে হাটাচলা করছে, এইভাবে পুনরায় দেখতে পাবার। ওয়াইফের হাটার সময় পায়ের নূপুর এর শব্দ পাবার। 

(3) প্রশ্ন :- তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ? 

উত্তর :-  আমার শুধু আমার ওয়াইফকে পছন্দ। অভাবের দিনে ক্ষিধে পেটেও যখন আমি শারিরীক চাহিদা মেটাতে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম তখন আমাকে। বুকে টেনে নিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। তুমার উপরে বিশ্বাস আছে এইরকম বলেছিল। সেই মুহুর্ত গুলো পছন্দ। ফূটো চাল দিয়ে আমার বুকে মাথা রেখে আকাশে তারা গোনা পাগলী ওয়াইফকে পছন্দ। 

(4)তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো? কেনো? 

উত্তর :- একবার, দুবার বন্ধুদের কথায় সঙ্গ দিতে গিয়ে। নিষিদ্ধ পল্লী তে গিয়েছি শুধু দুবার। আমি এরজন্য ওয়াইফের কাছে ক্ষমা চেয়েছি।উফ্ কি কষ্ট করে মানিয়েছিলাম। আমার ছেলের মাথায় হাত রেখে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম যে আমি আর ওইসব খারাপ জায়গায় পা দেবা না। এইঘটনার কিছুদিন পরেই আমার ওয়াইফের দূর্ঘটনা হয়। জঙ্গল থেকে কাঠ নিয়ে আসার সময়। একটা ট্রাকের সাথে ঢাক্কা লেগে যায়। এখন বেচে আছে তবে চলাফেরা করতে পারে না। 

(5) আপনাকে এই জায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন?  আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :- আপনার চাষের জমির নীচে তেলের খনি বসানো হবে। আপনি বেচে থাকতে এটা সম্ভব না। আপনার এলাকার জমিদারের নির্দেশে আপনি এখানে। আপনার ওয়াইফকে আগেও মারা র চেষ্টা করা হয়েছে তবে সে বেচে গেছে। 

তবে এখন মেরে ফেলা হবে। 

.....এরপর একটা লোক রুমে এসে ছুরি দিয়ে আঘাত করে মেরে ফেলে সৌরভকে। 

জমিদার বাবু টিভি বন্ধ করে একজনকে ফোন করে বলে "তুমলোগ কাম শুরু কর দো"।

এরপর প্রশ্নের মুখোমুখি হয় পূজা। 

(1)প্রশ্ন:- তুমি কি ভার্জিন? 

উত্তর :- হ্যাঁ। 

(2) তোমার কি সেক্স ফেন্টাসি আছে? 

উত্তর :- আছে!  আমার প্রেমিকের সাথে সময় কাটানো, অনেকগুলো নতুন মুহূর্ত জমানো স্মৃতিতে। 

(3)প্রশ্ন :- তোমার কি রকমের সেক্স পছন্দ? 

উত্তর :- যার সমাপ্তি তে  দুজনকে তৃপ্তি দেবে। 

(4) তোমার সঙ্গীকে চিট করেছো? কেনো? 

উত্তর :- ন্যা।  আমাদের বিয়ে ঠিক হবার কিছুদিন পরেই আমার প্রেমিকের গাড়ি দূর্ঘটনা হয়। এতে কোমর থেকে সমস্ত নীচের অংশ প্যারালাইসড হয়ে যায়। তখন থেকেই আমি সাথে আছি। যত্ন নিচ্ছি দুজন দুজনকে দেখা শুনা করছি। আমার চিট করার হলে একসাথে এইজায়গায় থাকতাম না। আমি ভালোবেসেছি, ভালোবাসি, সারাজীবন একিরকম ভালোবেসে যাবো। 

ভালোবাসা মানে একে অপরকে জেনে নেওয়া। ভোগ করাটা চাহিদা ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা হয় ঈশ্বরের দেওয়া উপহার। এক ভালোবাসার টানে লোক সাগর পাড়ি দিয়ে দেয়। এমনকি মৃত্যুর ভয় করে না। এটা একরকমের অলৌকিক ক্ষমতা যা ঈশ্বর মানুষের হৃদয়ে পেরণ করেণ। একবার যে সত্য করে ভালোবাসবে তার হৃদয় অন্য কোথাও যেতে চাইবে না। উভয় ই উভয়ের হয়ে ওঠবে পরিপূরক। যতবার  তাকাবে ততবার মনে হবে নতুন। কিছু আবিষ্কার করতে মন হবে উদ্দোগী। এতকিছু ছেড়ে অন্য কাউকে নিয়ে ভাবা। বা নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া এসব আমার পক্ষে অসম্ভব। 

(5) আপনাকে এই জায়গায় কেন রাখা হয়েছে জানেন?  আপনি কি অনেক কিছু জানতে ইচ্ছুক? 

উত্তর :-এই উত্তর ও মাক্রোফন দিচ্ছে।

আপনি একমাত্র যিনি আজকের প্রতিযোগিতার বিজেতা। আপনি মুক্ত। 

.... এরপর আস্তে আস্তে সমস্ত দরজা খুলে যায় মেয়েটি বাইরে এসে দেখে ওর হবু বর দাড়িয়ে আছে। গাড়ি করে ঘরে চলে আসে। এরপর সবাই আনন্দ করে, পার্টি করে তবে পূজা পুরো চুপ ছিলো। 

রাতের বেলা বেডরুমে পূজার হবু বর আসে এরপর সে বলে 

আমি নাটক করেছিলাম অসুস্থ হবার। আমি তোমাকে জেনে নিতে চাইছিলাম। আমি চাইছিলাম বিয়ের আগে সবকিছু পরিষ্কার করে জেনে নিই। তুমি ভার্জিন আমি খুব খুশি। তোমাকে আমার বিয়ে করতে কোন অসুবিধা নেই। 

 

আমি অনেক ভার্জিন মেয়ের সাথে সেক্স করেছি সেইটা কোন বড়ো বিষয় না। তবে আমি একজন ভার্জিন মেয়েকেই বিয়ে করতে চাইছিলাম। তুমাকে নিয়ে আর কোন দ্বিধা নেই আমার। নির্দিষ্ট তারিখেই বিয়ে করবো। এখন আমিও সত্যিই তোমাকে ভালবাসি।  তোমাকে নিয়ে প্রাউড ফিল করছি আমি আই লাভ ইউ। তখন পূজা টেবিলের উপর রাখা ফলের উপর থেকে একটা ছুরি নিয়ে নিজের পেটে ঢুকিয়ে দেয়। এরপর বলতে বলতে মারা যায়।

" I m virgin but your mentality is not virgin "

 

 

( গল্পটা  পড়ে  কেমন লাগলো  কমেন্ট  করে জানাবেন) 

 

(0) Comments
Write a comment